রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Single Top Banner

প্রবাসীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, দূতাবাসে অভিযোগ দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিক আমির মো. মঈনুদ্দিনের বিরুদ্ধে অনলাইনে অপপ্রচার, চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে কয়েকজন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল অব গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) শাহানাজ পারভিন।

অভিযোগপত্রে প্রবাসী আমির মো. মঈনুদ্দিন উল্লেখ করেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে অনলাইনে একটি মানহানিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এর কিছুদিন পর চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. ইমরান খান তাঁর আমিরাতের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভয়ংকর পরিণতির হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আমির আরও জানান, তাঁর বাবা মো. মোহাম্মদ আলমগীর (৬২) কখনো অভিযুক্ত ইমরান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তবুও তাঁর বাবার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, যা প্রবীণ এই মানুষটিকে মারাত্মক মানসিক কষ্টে ফেলেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের সঙ্গে আমিরের কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। তিনি কেবল সাইপ্রাসভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত। কিন্তু চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাঁর ও পরিবারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে।

দূতাবাসের কাছে আমির অনুরোধ করেছেন, বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা রুজু করার ব্যবস্থা নিতে। তিনি এ ঘটনাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

অভিযোগের সঙ্গে আমির মঈনুদ্দিন জমা দিয়েছেন নিজের ও তাঁর বাবার পাসপোর্ট, এমিরেটস আইডির কপি, মানহানিকর ভিডিওর লিংক, হুমকির কল রেকর্ড ও স্ক্রিনশটসহ অন্যান্য প্রমাণাদি।

আমির মঈনুদ্দিন বলেন, “আমি ন্যায়বিচার ও সুরক্ষার জন্য দূতাবাসের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. ইমরান খান বলেন, “আমাকে আমেরিকা এম্বেসিতে ফেস করানোর কথা বলে যে টাকা নিয়েছে, আমি সেটাই চেয়েছি মাত্র। কিন্তু উল্টো আমার বিরুদ্ধে পোস্টারিং থেকে শুরু করে মানহানি করা হয়েছে। এজন্য আমি প্রেস কনফারেন্স করেছি, যাতে অন্য কেউ এমন হয়রানির শিকার না হয়।”

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত