চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বড় অঙ্কের আর্থিক কেলেঙ্কারি, ঘুষ লেনদেন ও অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৪তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি, অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও ক্ষমতার অপব্যবহার। এ ঘটনায় সাবেক উপাচার্য ড. শিরীন আখতারের পিএস ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাবুদ্দিন এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মশিবুর রহমানকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রযোজ্য যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে পদোন্নতি নেওয়ার অভিযোগে আবদুল্লাহ আল আসাদকে পদাবনতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আগে কাউন্সিল মেম্বার থাকলেও এখন তাঁকে ডিমোশন দিয়ে সেকশন অফিসার পদে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “সিন্ডিকেটে প্রাথমিক তদন্তে আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িত একজন কর্মকর্তাকে ডিমোশন করে পূর্বের পদে পাঠানো হয়েছে।”
চবি সিন্ডিকেটের এ সিদ্ধান্তে আবারও স্পষ্ট হলো—শিক্ষাঙ্গনে চলমান আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


